হিন্দু কমেছে বরিশাল ও খুলনা বিভাগে

মোট জনসংখ্যার অনুপাত অর্থাৎ আনুপাতিক হিসাবে বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা কমছে। আবার এক জনগণনার (আদমশুমারি) সময় থেকে পরবর্তী জনগণনা বিবেচনায় দেখা যায় বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বী মোট জনসংখ্যা আগের তুলনায় বেড়েছে।


জনগণনা সাধারণত প্রতি ১০ বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। ১৯৮১ থেকে ২০১১- এই ৪০ বছরে অনুষ্ঠিত চারটি জনগণনায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীর মোট সংখ্যা বেড়েছে।

তবে সারাদেশের হিসেবে মোট সংখ্যা বাড়লেও তিনটি বিভাগে হিন্দু জনসংখ্যা আগের তুলনায় কমেছে। এর মধ্যে বরিশাল বিভাগে হিন্দুর সংখ্যা জনগণনায় আগের তুলনায় কমেছে।


খুলনা বিভাগে ১৯৮১-১৯৯১ এই ১০ বছরে হিন্দু জনসংখ্যা কমেছে, কমেছে ২০০১-২০১১ এর ১০ বছরেও। মাঝে ১৯৯১-২০০১ এর ১০ বছরে এই বিভাগে হিন্দু জনসংখ্যা আগের তুলনায় বেড়েছিল।


রাজশাহী বিভাগেও ১৯৯১-২০০১ এর ১০ বছরে হিন্দু জনসংখ্যা কমেছিল। এই বিভাগে হিন্দু জনসংখ্যা বেড়েছে ১৯৮১-১৯৯১ ও ২০০১-২০১১ এর ২০ বছরে।


চারটি জনগণনার মধ্যে ২০১১ সালে ঢাকা বিভাগে হিন্দু জনসংখ্যার বৃদ্ধি লক্ষ্যণীয়। এই বিভাগে ১৯৮১-১৯৯১ এর ১০ বছরে হিন্দু জনসংখ্যা বেড়েছিল ৭০ হাজারের কিছু বেশি।

১৯৯১-২০০১ এর ১০ বছরে এই বৃদ্ধি ছিল ৫০ হাজারের কিছু বেশি। ২০০১-২০১১ এর ১০ বছরে ঢাকা বিভাগে হিন্দু জনসংখ্যা বেড়ে যায় প্রায় আড়াই লাখ।

চট্টগ্রাম বিভাগে চারটি জনগণনার ৩০ বছরে হিন্দু জনসংখ্যা বৃদ্ধি প্রতিবারই সোয়া লাখের ওপরে ছিল। রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে সবচেয়ে বেশি বেড়েছিল ১৯৮১-১৯৯১ এর ১০ বছরে, সংখ্যায় যা যথাক্রমে আড়াই লাখ ও ৩০ হাজার।

সিলেট বিভাগে হিন্দু জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বেড়েছিল ২০০১-২০১১ এর ১০ বছরে (দেড় লাখের বেশি)।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *