পেঁয়াজ: উৎপাদনে বিপুল অগ্রগতি, তবুও ঘাটতি

গেল ১৬ বছরে দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন বেড়েছে ১১ গুণ। তবু পূরণ করা যাচ্ছে না চাহিদা। তাই আমদানি করে যেতেই হচ্ছে।

পরিসংখ্যান বিষয়ক জাতীয় সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো-বিবিএস’র হিসাব অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয় ১৭ দশমিক ৩৮ লাখ মেট্রিক টন।

তবে কৃষি বিপণন অধিদফতরের এক হিসেবে আগের ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের পরিমাণ সাড়ে ২১ লাখ মেট্রিক টন। অধিদফতরের তথ্যমতে, দেশে পেঁয়াজের চাহিদা প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টন।

গত ৩৫ বছরে দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন বেড়েছে প্রায় সাড়ে ১৩ গুণ, জানা যাচ্ছে বিবিএস ডেটা থেকে। একই সময়ে পেঁয়াজ চাষের জমির পরিমাণ বেড়েছে ৫ গুণ।

মূলত ২০০০ সালের পর থেকে দেশে পেঁয়াজ চাষ ও উৎপাদনে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে। ১৯৮২ থেকে ২০০২- এই ২০ বছর দেশে ১ লাখ একরের কম জমিতে পেঁয়াজচাষ হতো। কিন্তু ২০০৩-০৪ অর্থবছরে তা প্রথমবারের মতো ১ লাখ একর ছাড়িয়ে যায়।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে পেঁয়াজের চাষ হয় ৪ দশমিক ৪১ লাখ একর জমিতে। উৎপাদন প্রথমবার ১০ লাখ মেট্রিক টন ছাড়ায় ২০১০-১১ অর্থবছরে।

কৃষি বিপণন অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে উৎপাদন হয় সাড়ে ২১ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ, আমদানি হয় প্রায় সাড়ে ১০ লাখ মেট্রিক টন। তবে বিবিএস’র কৃষি শাখার হিসেব অনুযায়ী ওই সময়ে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের পরিমাণ বিপণন অধিদফতরের হিসেবের তুলনায় ৩ লাখ মেট্রিক টন কম।

আরো পড়ুন >> ইনফোগ্রাফিক: বাংলাদেশের মানুষের পেঁয়াজ খাওয়া

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *