নিরাপদ রক্ত প্রায় ২৫০% বেড়েছে, শীর্ষে কোয়ান্টাম

১. বাংলাদেশে ১৫ বছরের ব্যবধানে নিরাপদ রক্ত সরবরাহের পরিমাণ প্রায় ২৫০ শতাংশ বেড়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর প্রকাশিত কয়েক বছরের ‘হেলথ বুলেটিন’ পর্যালোচনা করে এ তথ্য জানা গেছে।

২০০২ সালে দেশে ৭২ হাজার ব্যাগ নিরাপদ রক্ত সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। ২০১৬ সালে এই সংখ্যা আড়াই লাখের কাছাকাছি পৌঁছায়।

রক্ত দান করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটতে শুরু করে ২০০৮ সাল থেকে।

ওই বছর সংগৃহীত নিরাপদ রক্তের পরিমাণ দেড় লাখ ব্যাগ ছাড়িয়ে যায়।

২. ‘হেলথ বুলেটিনে’ চারটি সংগঠনের নিরাপদ রক্ত সংগ্রহের ডেটা পাওয়া যায়। এতে দেখা যায়, ২০১৪ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত রক্ত সংগ্রহে বাকি তিন সংগঠনের চেয়ে বেশ এগিয়ে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন।

২০০২ সালে চার সংগঠনের মধ্যে সবচেয়ে কম রক্ত সংগ্রহ করতে পেরেছিল কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন।

চার সংগঠনের মধ্যে ১৫ বছরের হিসেবে রক্ত সংগ্রহে সবচেয়ে পিছিয়ে ‘সন্ধানী। যদিও ২০০২ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত তারাই সবচেয়ে এগিয়ে ছিল।

২০১৩ থেকে ‘সন্ধানী’র সংগৃহীত নিরাপদ রক্তের পরিমাণ আবার বাড়ছে।

৩. চার সংগঠনের মধ্যে ‘সন্ধানী’র সংগৃহীত রক্তের পরিমাণ ১৫ বছরের মধ্যে কখনোই ৫০ হাজার ব্যাগ অতিক্রম করেনি।

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন ২০১৪ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত প্রতি বছর প্রায় এক লাখ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করেছে।

‘বাঁধন’-এর সংগৃহীত রক্তের পরিমাণ ২০০৯ সাল থেকে ৫০ হাজার ব্যাগের ওপরে রয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *