GETTING DATA CLOSER TO PEOPLE

লাখ কোভিড-১৯ পজিটিভ : শীর্ষ ৫ দেশ বনাম বাংলাদেশ

বাংলাদেশসহ অন্য সব দেশ মিলিয়ে লাখের বেশি কোভিড-১৯ পজিটিভ ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে এমন দেশের সংখ্যা ১৮।

শনাক্ত সংখ্যা বিবেচনায় শীর্ষ ৫ দেশের মধ্যে সবচে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে মোট শনাক্ত ২১ লাখের বেশি মানুষ।

ডেটা : আইইডিসিআর

সংক্রমণের শীর্ষে থাকা যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম কোভিড-১৯ পজিটিভ ব্যক্তি শনাক্ত হয় ২২ জানুয়ারি। ১ লাখ শনাক্ত হতে দেশটির সময় লেগেছে ৬৫ দিন।

প্রায় ১০ লাখ শনাক্ত নিয়ে ব্রাজিল আছে দ্বিতীয় অবস্থানে। এখানে মোট শনাক্ত ১ লাখ ছাড়াতে সময় লেগেছে ৬৭ দিন।

মোট সংক্রমণের শীর্ষ ৫ দেশের মধ্যে রাশিয়া, ভারত ও যুক্তরাজ্যে এ সময় লাগে যথাক্রমে ৯০, ১০৯ ও ৭৬ দিন।

ভারতের চেয়ে ৬ দিন কম সময় লাগে বাংলাদেশের। বাংলাদেশে ১০৩ দিনে ছাড়িয়ে যায় এক লাখ শনাক্ত।

ডেটা : ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ প্রিভেনশন এন্ড কন্ট্রোল

গত ১৬ জুনের ডেটায় দেখা যায়, এদিন দৈনিক হিসেবে ব্রাজিলে শনাক্ত হয় প্রায় ৩৫ হাজার। যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ হাজার মানুষ। ভারতে শনাক্ত হয় ১০ হাজারের বেশি মানুষ।

ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ প্রিভেনশন এন্ড কন্ট্রোল-এর গত এ ৫ দেশের গত ২৫ দিনের ডেটা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এসময় ব্রাজিলে শনাক্ত হয় প্রায় ৬ লাখ মানুষ। মোট শনাক্তের হিসেবে এরপর সবচে বেশি যুক্তরাষ্ট্রে (৫ লাখ)।

এ সময়ে শীর্ষ ৫ দেশের মধ্যে সবচে কম শনাক্ত হয় যুক্তরাজ্যে (৪৪ হাজার)। এখানে গত ২৫ দিনে দৈনিক গড়ে শনাক্ত হয় ২ হাজারের কম মানুষ। ঠিক এই সময়ে বাংলাদেশে মোট শনাক্ত হয় ৬৬ হাজার মানুষ, দৈনিক গড়ে যা আড়াই হাজারের বেশি।

তার আগের ২৫ দিনের (২৯ এপ্রিল- ২৩ মে) ডেটা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এসময় সবচে বেশি শনাক্ত হয় যুক্তরাষ্ট্রে (৬ লাখ)। দৈনিক গড়ে যা প্রায় ২৫ হাজার। ঠিক সময় এসময় বাংলাদেশে মোট শনাক্ত হয় ২৫ হাজারের কিছু বেশি মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রের বিবেচনায় যা প্রায় ২৫ গুণ কম।

এর আগের ৫০ দিনের শনাক্তে সবচে এগিয়ে ছিল যুক্তরাষ্ট। ১০ মার্চ থেকে ২৮ এপ্রিল এ সময়ে এখানে মোট শনাক্ত হয় প্রায় ১০ লাখ মানুষ। একই সময়ে বাংলাদেশে শনাক্ত হয় মাত্র সাড়ে ৬ হাজার মানুষ।